ওয়ার্ডপ্রেস শিখে কি কি উপায়ে ইনকাম করা যায়

ওয়ার্ডপ্রেস

ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে সবথেকে বেশি চাহিদাবহুল এবং জনপ্রিয় একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস। এটি একটি ওয়েবসাইট বিল্ডার সফটওয়্যার যার মাধ্যমে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলা যায়। ওয়ার্ডপ্রেসে সেই সব ফিচার আছে যেগুলো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য যথেষ্ট। আর এই জন্য ওয়েবসাইট তৈরিতে যেকোনো কোম্পানির প্রথম চয়েজ হচ্ছে এই ওয়ার্ডপ্রেস। কারন তারা জানে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে খুব অল্প খরচে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলা যায় যেটা প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে হয় না। প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ টাকার মতো খরচ হয় যেটা একটি কোম্পানির প্রাথমিকভাবে থাকে না। তাই তারা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ২০ থেকে ৩০ হাজারের মধ্যে নিজেদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলে।

আশা করি এখন বুঝতে পেরেছেন, কেন বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা এত বেশি। তো যাইহোক,  আজকের এই পর্বে আমরা জানবো ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ইনকাম করার উপায়, অর্থাৎ ওয়ার্ডপ্রেস শিখে কি কি উপায়ে ইনকাম করা যায়।

তো চলুন শুরু করা যাক,

১। ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করে

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ভালোভাবে শিখতে পারেন তাহলে বিভিন্ন কোম্পানির জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করে দিয়ে ইনকাম করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে দুই ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

  1. কাস্টম ওয়েবসাইট
  2. রেডিমেট থিম দিয়ে ওয়েবসাইট

১। কাস্টম ওয়েবসাইটঃ ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে ওয়েব ডিজাইন এবং প্রোগ্রামিং ভাষা শিখতে হবে। নাহলে আপনি কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন না। অনেক সময় ক্লাইন্ট একটি ডিজাইন দিয়ে বলতে পারে এই ডিজাইনটি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ওয়েবসাইট বানিয়ে দিতে তখন আপনাকে কাস্টম কোডিং করে ওয়েবসাইট টি বানিয়ে দিতে হবে। আর এই কাজটি করার জন্য আপনাকে কিছু ভাষা শিখতে হবে।

যে যে ভাষাগুলো আপনাকে শিখতে হবেঃ

  1. HTML
  2. CSS
  3. JAVASCRIPT/JQUERY
  4. BOOTSTRAP
  5. PHP
  6. WORDPRESS FUNCTIONS, FILTERS & HOOKS

একটি কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অবশ্যই আপনাকে এগুলো শিখতেই হবে।

২। রেডিমেট থিম দিয়ে ওয়েবসাইটঃ আপনার যদি কোডিং পছন্দ না হয় বা কোনো কারনে কোডিং শিখতে ভালো না লাগে তাহলে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের রেডিমেট থিম দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেসের অনেক রেডিমেট থিম আছে যেগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমেও প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলা যায়। আপনি শুধু সেই থিমগুলো ওয়েবসাইটে ইন্সটল করে একটিভ করবেন এবং এরপর ডেমো ইমপোর্ট করে নিজের মতো ওয়েবসাইট টি কাস্টমাইজ করে নিবেন। তবে এরজন্য অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস থিম কাস্টমাইজেশন এবং ওয়ার্ডপ্রেস পেজ বিল্ডার দিয়ে ওয়েবসাইট ডিজাইন কিভাবে করতে হয় সেটা শিখতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেস থিমের কোথায় কোন অপ্সন আছে, থিম হেডার, ফুটার, কন্টেন্ট এরিয়া কিভাবে কাস্টমাইজ করতে হয় এগুলো শিখতে হবে।তাহলে আপনি খুব সহজেই যেকোনো ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

এখন, এখানে একটি প্রশ্ন আসে সেটা হচ্ছে, ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহার করেই যদি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলা যায় তাহলে কস্ট করে কোডিং শিখতে হবে কেন?

উত্তর হচ্ছে, আপনি যদি কোডিং শিখতে পারেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যেই কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরি করবেন সেগুলোর বাজেট অনেক থাকবে। এক একটি প্রোজেক্ট এ আপনি ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার বা এর থেকে বেশিও চার্জ করতে পারবেন ক্লাইন্টের কাছে, যেটা কিন্তু একটি ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করলে কখনোই পাওয়া যাবে না। একটি ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করলে ১০০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায় এভারেজে।

২। ওয়ার্ডপ্রেস শিখে ফ্রিলান্সিং করে

আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে পারেন তাহলে ফ্রিলান্সিংও করেও ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে অনেকগুলো ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য জব পোস্ট হয়ে থাকে। যেমন, ফাইভার, ফ্রিলান্সার, আপওয়ার্ক, পিপল পার আওয়ার এগুলো বেশি জনপ্রিয়। এই মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস স্কিলটাকে সার্ভিস হিসেবে অন্যদের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট থেকে শুরু করে থিম কাস্টমাইজেশন, বাগ অথবা প্রব্লেম ফিক্সিং, ওয়েবসাইট পারফরমেন্স এবং এসইও, ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন, ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটলেশন এবং সেটাপ, ওয়েবসাইট ব্যাকআপ এবং ট্রান্সফার, ওয়েবসাইট সিকিউরিটি সহ ওয়ার্ডপ্রেসের প্রায় সব ক্যাটাগরির কাজ পাওয়া যায়। নতুন ফ্রিলান্সারদের জন্য ফাইভার মার্কেটপ্লেস জনপ্রিয়, যেখানে ৫ ডলার থেকে শুরু করে ৫ হাজার ডলারের বেশি বাজেটের কাজ পাওয়া যায় ওয়ার্ডপ্রেসের উপরে।

ফাইভার মার্কেটপ্লেস

আপনি যদি ফাইভার মার্কেটপ্লেসে গিয়ে সার্চবারে “WordPress” লিখে সার্চ দেন তাহলে দেখতে পাবেন ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে প্রায় ১ লাখের মতো কাজ আছে। আর এই পরিমানটা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটা তো শুধুমাত্র একটি ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস দেখালাম। এছাড়াও আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার মার্কেটপ্লেসগুলোতেও ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা অনেক।

আরো পড়ুনঃ

  1. ওয়ার্ডপ্রেস কিভাবে শুরু করতে হয়? ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কতদিন লাগে
  2. ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট কেন এবং কিভাবে শিখবো?

প্রতিদিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ক্লাইন্টরা এখানে এসে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে তাদের যেই কাজগুলো করানোর প্রয়োজন সেগুলো পোস্ট করে। এবং নানান দেশের ফ্রিলান্সাররা সেই জবগুলো করে থাকে যাকে ফ্রিলান্সিং বলা হয়। তাই আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ভালোভাবে শিখতে পারেন তাহলে ফ্রিলান্সিং করেও মাসে লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

৩। ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে

ওয়ার্ডপ্রেস শিখলে আরো একটি জনপ্রিয় ইনকামের পথ হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট তৈরি করা।আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের যতগুলো থিম, প্লাগিন, পেজ বিল্ডার দেখতে পান এগুলো প্রফেশনাল ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপাররা তৈরি করে থাকে। আপনি যদি কোডিং শিখেন তাহলে ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করতে পারবেন এবং সেই সকল সফটওয়্যার বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে বিক্রি করতে পারবেন। ওয়ার্ডপ্রেসের প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য বর্তমানে অনেক ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেমন, Theme forest, creative market, Template Monster ইত্যাদি।

ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস থিম্ফরেস্ট

এগুলোর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্লেস হচ্ছে থিমফরেস্ট। এই মার্কেটপ্লেসে পৃথিবীর বড় বড় ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপাররা তাদের তৈরি করা থিম বিক্রি করে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানির বায়াররা তাদের ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য এখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম কিনে নেয়। অন্যসব মার্কেটপ্লেস থেকে এই মার্কেটপ্লেসের থিমগুলোর ডিজাইন কোয়ালিটি অনেক উন্নত এবং প্রফেশনাল।

ওয়ার্ডপ্রেস

থিমফরেস্টে গিয়ে আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ক্যাটাগরিতে ক্লিক করেন তাহলে দেখতে পাবেন প্রায় সব ধরনের ক্যাটাগরির থিম আছে। যেমন, বিজনেস, ব্লগ/মেগাজিন, ইকমার্স, এডুকেশনাল, রিয়েল স্টেট, ননপ্রফিট অর্গানাইজেশন, এন্টারটেইনমেন্ট সহ টেকনলোজি রিলেটেড ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস থিম বিদ্যমান।

প্রতি সপ্তাহে ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপাররা নতুন নতুন থিম পাব্লিশ করে থাকে। আপনি নিজের ওয়ার্ডপ্রেস থিম বা প্লাগিন তৈরি করে এই মার্কেটপ্লেসগুলোতে বিক্রি করার জন্য লিস্টিং করতে পারেন। যখন কোনো বায়ার আপনার ডেভেলপ করা থিমটি কিনবে তখন প্রতি মাসে ইনকাম আস্তেই থাকবে। তবে অবশ্যই তৈরি করা থিমটির ডিজাইনটা যেন প্রফেশনাল এবং অন্য সব থিম থেকে একদম ভিন্ন হয় তাহলে বিক্রি হওয়ার চাঞ্জ অনেক বেশি থাকবে।

৪। অন্যদের ওয়ার্ডপ্রেস শেখানো

ফ্রিলান্সিং, ওয়ার্ডপ্রেস প্রোডাক্ট তৈরি এবং ওয়েবসাইট তৈরি করার পাশাপাশি আপনি অন্যকে শিখিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। এমন অনেকে আছে যারা ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে আগ্রহী কিন্তু শেখার জন্য সঠিক যে গাইডলাইনটা প্রয়োজন সেটা পাচ্ছে না। আপনি একজন মেন্টর বা ট্রেইনার হিসেবে তাদের ওয়ার্ডপ্রেস শিখাতে পারেন এবং সম্মানী হিসেবে অথবা কোর্স ফি হিসেবে তাদের কাজ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিতে পারবেন।

অন্যদের ওয়ার্ডপ্রেস শেখানোর অনেকগুলো উপায় আছে যেমন, নিজে ভিডিও কোর্স তৈরি করে, কোনো আইটি প্রতিষ্ঠানে ওয়ার্ডপ্রেস ট্রেইনার হিসেবে জয়েন দিয়ে অথবা অনেক ই-লার্নিং মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে আপনার তৈরি করা ভিডিও কোর্স পাব্লিশ করতে পারেন। পরবর্তীতে কেউ যদি আপনার সেই কোর্সে ভর্তি হয় তাহলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আপনার একাউন্টে জমা হয়ে যাবে।

৫। ব্লগিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে যেহেতু আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন তাই এই ওয়ার্ডপ্রেসকে ব্যবহার করে ব্লগিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও হেন্ডসাম একটি ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্ডাস্ট্রিটা অনেক বড়। প্রতিনিয়ত ওয়ার্ডপ্রেসের উপর বিভিন্ন কন্টেন্ট ওয়েবসাইট এবং ইউটিউবে পাব্লিশ হচ্ছে। আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং সেই ব্লগে ওয়ার্ডপ্রেস রিলেটেড বিভিন্ন কন্টেন্ট পাব্লিশ করতে পারেন। একটা সময় যখন আপনার সেই কন্টেন্ট পড়ার জন্য ভিজিটর আসা শুরু করবে তখন আপনি গুগল এডসেন্স বা অন্য কোনো এড নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে ইনকাম করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ

  1. ব্লগিং কি? ব্লগিং করে কিভাবে ইনকাম করতে হয়?
  2. এফিলিয়েট মার্কেটিং বই ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড

ব্লগিং এর পাশাপাশি এফিলিয়েট মার্কেটিং করেও ইনকাম করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস প্রিমিয়াম থিম, প্লাগিন নিয়ে নিজের ওয়েবসাইটে রিভিউ লিখতে পারেন। এবং প্রতিটা রিভিউ এর নিচে এফিলিয়েট লিঙ্ক দিয়ে দিতে পারেন। পরবর্তীতে কেউ যদি আপনার সেই লিঙ্কের মাধ্যমে কোনো থিম বা প্লাগিন কিনে থাকে তাহলে আপনি সেই প্রোডাক্টের উপর একটি এফিলিয়েট কমিশন পাবেন। তবে এর জন্য অবশ্যই আগে কোম্পানির এফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন হতে হবে আপনাকে।

৬। কোম্পানিতে ফিক্স জব করে

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করার আরেকটি উপায় হচ্ছে কোনো কোম্পানিতে ফিক্স জব করে আয় করা। কোম্পানির ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনা, ওয়েবসাইটে কোনো এরর দেখা দিলে সেটা সলভ করা, নতুন কন্টেন্ট পাব্লিশ করা, ওয়েবসাইট আপ-টু-ডেট রাখা ইত্যাদি কাজ করার জন্য যেকোনো কোম্পানিতে একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে জয়েন হতে পারেন।

আর যেহেতু এটা ডিজিটাল সার্ভিস তাই বাংলাদেশ সহ যেকোনো দেশের কোম্পানিতে আপনি ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে জয়েন দিতে পারেন। ফিক্স জব পাওয়ার জন্য লিঙ্কডিন একটি জনপ্রিয় প্লাটফর্ম। এখানে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর প্রায় সব দেশের কোম্পানিরা তাদের ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনার জন্য জব পোস্ট করে থাকে। আপনি চাইলে সেখানে এপ্লাই করে সেই জবগুলো করতে পারেন।

এই ছিলো, কিভাবে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয় করতে পারেন তার কিছু জনপ্রিয় উপায়। আশা করি আর্টিকেলটি আপনার অনেক উপকার হয়েছে। যাইহোক, যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো।

এছাড়াও আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ডপ্রেস, ইউটিউবিং, টেকনোলজি বিভিন্ন টিপ্স এন্ড ট্রিক্স, ডিজিটাল স্কিল শিখতে চান তাহলে আমার ইউটিউব চ্যানেল আজই সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন। কারন আমি প্রতিনিয়ত ডিজিটাল স্কিল বিষয়ক টিউটোরিয়াল পাবলিশ করে যাচ্ছি আমার চ্যানেলে।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here