ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বই সংগ্রহ করে নিন

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয়

আজকের এই পর্বে আমরা এমন একটি ফ্রিল্যান্সিং বই রিভিউ করবো যার নাম ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয়। এই বইটির মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে ইন্টারনেট থেকে আয় করতে হয়। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে একদম নতুন হয়ে থাকেন এবং বুঝতে পারছেন না ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে ইন্টারনেট থেকে আয় করা যায়, মানুষ কিভাবে ফ্রিলান্সিং সেক্টরে কাজ করে ইন্টারনেট থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছে? তাহলে এই বইটি আপনার জন্য। বইটি যদি আপনি পুরোপুরি পড়ে কমপ্লিট করতে পারেন তাহলে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা নিয়ে আপনার মনে কোনো প্রশ্ন থাকবে না আশা করছি। তো চলুন কথা না বাড়িয়ে বিস্তারিত জেনে নেই।

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি সম্পর্কে কিছু কথা

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি যিনি লিখেছেন তার নাম হচ্ছে ফ্রিলান্সার নাসিম। তিনিও একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার। বর্তমানে লোকাল এবং ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট সহ পুরো পৃথিবীতে একজন প্রফেশনাল ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করে ইন্টারনেট থেকে আয় করছে। আর তার এই পরিপেক্ষিতেই নিজের ফ্রিলান্সিং ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা থেকে লেখা হয়েছে এই বইটি। অনেকেই এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করতে আগ্রহী থাকে কিন্তু সঠিক গাইডলাইনের অভাবে সেটা আর হয়ে উঠে না। তাই নতুনদের কথা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে এই ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি। আপনিও যদি এই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করে অনলাইনে নিজের একটি সফল ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে দ্রুত এই ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি সংগ্রহ করে রাখুন।

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয়

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি থেকে কি কি শিখতে পারবেন

একজন নতুন হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর নিয়ে অনেক ধরনের প্রশ্ন মাথায় আসে যেমন ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করতে হয়, ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কোন কাজগুলোর চাহিদা বেশি, ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কতদিন লাগে ইত্যাদি। আর নতুন হিসেবে এই প্রশ্নগুলো আসাই স্বাভাবিক। ইউটিউব এবং গুগল থেকে অনেক গাইডলাইন এবং টিউটোরিয়াল পাওয়া যায় কিন্তু সেখানে সব এলোমেলো ভাবে থাকে। একটি কমপ্লিট গাইডলাইন পাওয়া যায় না। আর এই কারনেই এই বইটি লেখা হয়েছে। এই বইটি থেকে ফ্রিল্যান্সিং করে একজন মানুষ ইন্টারনেট থেকে কিভাবে আয় করে তার কমপ্লিট গাইডলাইন একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেয়া আছে।

ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি থেকে কি কি শেখা যাবে

  1. ইন্টারনেট থেকে আয় করার কিছু বেসিক ধারনা
  2. ইন্টারনেট থেকে আয় করার কিছু শর্টকাট উপায় ( সতর্কবাণী )
  3. ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে কিভাবে ক্যারিয়ার হিসেবে নেয়া যায়
  4. লেখাপড়া বা চাকরীর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে আয়
  5. একজন ফ্রিল্যান্সার মাসিক কত টাকা ইনকাম করে
  6. একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে কতদিন সময় লাগে
  7. ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কোন কাজের চাহিদা সবথেকে বেশি
  8. ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সফল হওয়ার জন্য কোন কাজটি আপনার শেখা উচিত
  9. ফ্রিল্যান্সিং কাজ কোথায় শেখা যায় এবং ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগে নাকি
  10. ইউটিউব এবং গুগল থেকে কিভাবে নিজে নিজে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শেখা যায়
  11. নিজে নিজে ফ্রিল্যান্সিং শেখা ভালো নাকি কোনো ট্রেইনিং সেন্টার ভালো
  12. কততুকু কাজ শিখতে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ইনকাম করা যাবে
  13. ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের ভবিষ্যৎ

আরো পড়ুনঃ

  1. ফ্রিলান্সিং কি? ফ্রিলান্সাররা কিভাবে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করে
  2. মোবাইল দিয়ে কিভাবে ফ্রিলান্সিং কাজ করা যায়
  3. এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে লাখ টাকা ইনকাম করা যায়
  4. একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করতে হয়
  5. লেখাপড়ার পাশাপাশি অনলাইন থেকে আয় করার ১২টি জনপ্রিয় অনলাইন জব

এগুলো ছাড়াও আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর জানতে পারবেন এই বই থেকে যেমন, ফ্রিল্যান্সিং করতে শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন লাগে এবং ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করার জন্য ইংরেজি কেমন জানা লাগে ইত্যাদি।

অনেকেই মনে করেন শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করা যায় না। এটা সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারনা। কারন ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করার জন্য প্রয়োজন আপনার স্কিল। বাহিরের দেশের বায়ার বা ক্লাইন্ট আপনার স্কিল দেখবে। আপনি যেই স্কিলে পারদর্শী সেটা আপনি সার্ভিস হিসেবে তাদের কাছে বিক্রি করবেন। এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোনো বিষয় না।

এছাড়াও নতুনরা আরো একটি বিষয়ে ভয় পেয়ে থাকেন সেটি হচ্ছে “ইংরেজিতে কথা বলা”। তারা মনে করেন ইংরেজিতে কথা না বলতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে কাজ করা যায় না। এটাও তাদের একটি ভুল ধারনা। বায়ার বা ক্লাইন্টরা আপনার কাজ থেকে সার্ভিস নিতে আসবে, তারা কিন্তু ইংরেজি শিখতে আসবে না। আপনি ইংরেজিতে দুর্বল হলে বা যদি একটু ভুল করে থাকেন তারপরেও কিন্তু আপনাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিবে। একটা কথা মনে রাখবেন “ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে স্কিল”। যার যত বেশি স্কিল থাকবে, সে তত বেশি অন্যদের থেকে এগিয়ে থাকবে এবং ইনকাম করতে থাকবে। তাই বেশি বেশি স্কিল বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

এগুলো ছাড়াও এই ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি থেকে আপনি কিছু চাহিদাবহুল ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। যেমন, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এপ ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ফটো এডিটিং, ভিডিও এডিটিং, কার্টুন বা এনিমেশন, গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ডাটা এন্ট্রির মতো সহজ কাজ সম্পর্কেও একটি বিস্তারিত ধারনা আপনি পেয়ে যাবেন।

যাইহোক, আপনি যদি নতুন হিসেবে ফ্রিলান্সিং সেক্টরে কাজ করে ইন্টারনেট থেকে আয় করতে চান তাহলে এই বইটি একটি গাইডলাইন হিসেবে কাজ করবে আপনার জন্য। তাই এখনই দেরি না করে সংগ্রহ করে রাখুন আপনার প্রিয় ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় বইটির কপি।

এছাড়াও আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ডপ্রেস, ইউটিউবিং, টেকনোলজি বিভিন্ন টিপ্স এন্ড ট্রিক্স, ডিজিটাল স্কিল শিখতে চান তাহলে আমার ইউটিউব চ্যানেল আজই সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন। কারন আমি প্রতিনিয়ত ডিজিটাল স্কিল বিষয়ক টিউটোরিয়াল পাবলিশ করে যাচ্ছি আমার চ্যানেলে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here